Windows Reinstall করার আগে কী করবেন? সেটআপ চেকলিস্ট ও গাইড

দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর হঠাৎ একদিন খেয়াল করলেন আপনার সাধের কম্পিউটারটি যেন কচ্ছপের মতো ধীরগতিতে চলছে! একটি ফোল্ডার খুলতে কিংবা ইন্টারনেট ব্রাউজার চালু করতে কয়েক মিনিট লেগে যাচ্ছে। অনেক সময় ম্যালওয়্যারের আক্রমণ বা অপ্রয়োজনীয় ফাইলের ভারে এমনটা হয়ে থাকে। তখন আপনার মাথার মধ্যে হয়তো একটি চিন্তাই কাজ করে, পিসি বা ল্যাপটপটাকে পুরোপুরি 'ফরম্যাট' (Format) করে উইন্ডোজ নতুন করে দিতে হবে!

কিন্তু একটি ব্যাপার কি আপনি জানেন? Windows clean install করা যতটা আনন্দের, তার চেয়ে বড় বিপর্যয় আর নেই, যদি আপনি ঠিকমতো ব্যাকআপ না রাখেন! তাড়াহুড়ো করে উইন্ডোজ ইন্সটল করার নিয়ম ফলো করতে গিয়ে অনেকেই তাদের জীবনের অমূল্য সব ছবি বা দরকারী কাজের ফাইল চিরতরে হারিয়ে ফেলেন। আপনিও কি ভাবছেন ল্যাপটপ ফরম্যাট করার আগে কী করবেন বা উইন্ডোজ সেটআপ করার আগে করণীয় কী? চিন্তার কিছু নেই! lifestylequery.com-এর আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ধাপে ধাপে আলোচনা করব Windows Reinstall করার আগে কী করবেন এবং এর সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ চেকলিস্ট নিয়ে। চলুন, শুরু করা যাক একটি সুরক্ষিত উইন্ডোজ ইনস্টলেশনের প্রস্তুতি!

Windows Reinstall করার আগে কী করবেন? সেটআপ চেকলিস্ট ও গাইড

আর্টিকেলের অভারভিউঃ Windows Reinstall করার আগে কী করবেন? 

Windows Reinstall করার আগে কী কী করা উচিত? উইন্ডোজ রিইনস্টল করার আগে অবশ্যই আপনার 'C' ড্রাইভে থাকা (বিশেষ করে Desktop, Documents এবং Downloads ফোল্ডারের) সব ব্যক্তিগত ফাইলের ব্যাকআপ নিয়ে পেনড্রাইভ বা গুগল ড্রাইভে সেভ করুন। এরপর Windows product key সংগ্রহ করুন এবং পিসির গ্রাফিক্স বা ওয়াইফাই চালানোর জন্য Windows driver backup তৈরি করে নিন। সবশেষে একটি ৮-১৬ জিবির পেনড্রাইভে রুফাস (Rufus) বা মিডিয়া ক্রিয়েশন টুল ব্যবহার করে Windows bootable USB তৈরি করে ইনস্টলেশন শুরু করুন।

Windows Reinstall করার আগে করণীয়: ধাপে ধাপে চেকলিস্ট (Windows Reinstall Checklist)

PC format করার আগে করণীয় নিয়ে একটি পরিষ্কার উইন্ডোজ ইনস্টল করার প্রস্তুতি থাকা চাই। আপনি যদি এই ৪টি ধাপ সঠিকভাবে মেনে চলেন, তবে Windows reinstall data loss থেকে পুরোপুরি সুরক্ষিত থাকবেন:

১. ব্যক্তিগত ডেটা ব্যাকআপ করার নিয়ম (Data Backup)

উইন্ডোজ রিইনস্টল করার আগে ব্যাকআপ হলো প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আপনার অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত লোকাল ডিস্ক সি (Local Disk C) তে থাকে।

  • সবাই একটি মারাত্মক ভুল করে, তারা মনে করে ডেস্কটপ (Desktop), ডকুমেন্টস (Documents) বা ডাউনলোড (Downloads) ফোল্ডার আলাদা। আসলে এগুলো সবই সি-ড্রাইভের (C Drive) অংশ!
  • উইন্ডোজ সেটআপ দিলে এগুলো পুরোপুরি মুছে যায়। তাই আপনার গুরুত্বপূর্ণ সব ফাইল সি-ড্রাইভ থেকে কপি করে অন্য ড্রাইভে (D, E ড্রাইভ) বা পেনড্রাইভে পার করে নিন।

২. Windows Product Key ও Microsoft Account লিংক করা

Windows activation ছাড়া নতুন উইন্ডোজের পুরো মজা নেওয়া যায় না। আপনি যদি Windows 10 reinstall বা Windows 11 reinstall করতে যান, তবে আগে নিজের Windows product key খুঁজে বের করুন। সেটিংসের (Settings) 'Activation' অপশনে গিয়ে যদি লেখা থাকে "Windows is activated with a digital license linked to your Microsoft account," তবে আপনাকে কিছু করতে হবে না, শুধু মাইক্রোসফটে লগইন করলেই নতুন উইন্ডোজে অ্যাক্টিভেশন চলে আসবে।

৩. পিসির জন্য Windows driver backup

আপনি Windows setup সম্পন্ন করলেন, কিন্তু দেখলেন ল্যাপটপে ওয়াইফাই কাজ করছে না বা স্ক্রিন কেমন যেন বড় হয়ে আছে! এটি মূলত ল্যানের বা ওয়াইফাইয়ের ড্রাইভার মুছে যাওয়ার কারণে হয়। তাই ল্যাপটপ ফরম্যাট করার আগে কী করবেন? আপনার পিসি বা ল্যাপটপের ব্র্যান্ডের মডেল (Model) লিখে তাদের ওয়েবসাইট থেকে ওয়াইফাই (Wi-Fi), ল্যান (LAN) এবং গ্রাফিক্স (GPU) এর লেটেস্ট ড্রাইভার অন্য একটি পেনড্রাইভে আগেই ডাউনলোড করে রাখুন।

৪. Windows bootable USB তৈরি (রুফাসের মাধ্যমে)

Windows কিভাবে দিতে হয়? আজকাল কেউ ডিভিডি (DVD) দিয়ে উইন্ডোজ দেয় না। একটি Windows bootable USB তৈরি করতে অন্তত ৮ জিবি পেনড্রাইভ, একটি অরিজিনাল উইন্ডোজ 'ISO' ফাইল (মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোডকৃত) এবং রুফাস (Rufus) নামের ছোট্ট সফটওয়্যারটি প্রয়োজন। উইন্ডোজ রিইনস্টল করার নিয়ম-এর প্রথম পদক্ষেপই হলো পেনড্রাইভকে 'রুফাস'-এর মাধ্যমে বুটেবল করা, যেখানে ফাইল সিস্টেম সাধারণত NTFS বা FAT32 রাখা হয়।

SSD-তে Windows install বনাম সাধারণ হার্ডডিস্কে ইনস্টলেশন

আপনার ল্যাপটপের স্পিড বাড়ানোর প্রধান রহস্য হলো এসএসডি (SSD)। যদি আপনি SSD-তে Windows install করতে চান, তবে খেয়াল রাখবেন বায়োসে (BIOS) যেন বুট সেটিংস 'AHCI' মুডে (Mode) থাকে এবং এসএসডি 'GPT/UEFI' ফরম্যাটে তৈরি হয় (পুরোনো MBR-এর পরিবর্তে)। এতে ল্যাপটপ চোখের পলকেই অন হবে এবং উইন্ডোজ 10 ইনস্টল করার আগে কি কি নিশ্চিত করা উচিত তার একটি প্রধান ধাপ এটি।

Windows reset vs reinstall: কোনটি করবেন?

অনেকেই জানতে চান, Windows recovery options থেকে Windows reset vs reinstall-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

উইন্ডোজ 'রিসেট' (Reset) হলো ফোনের ফ্যাক্টরি রিসেটের মতো। এটি পিসিকে আগের মতো করে দেয় কিন্তু কিছু পুরোনো ভাইরাস বা ক্যাশ থেকে যেতে পারে। অন্যদিকে Windows clean install বা 'রিইনস্টল' বলতে বোঝায় সি-ড্রাইভকে সম্পূর্ণ ফরম্যাট করে, সবকিছু একদম শুরু থেকে সেটআপ করা, যা ভাইরাস দূর করে এবং স্পিড রকেটের মতো করে দেয়। পিসি খুব বেশি স্লো হলে 'ক্লিন ইনস্টল'ই সবচেয়ে সেরা অপশন।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উইন্ডোজ রিইনস্টল

আমাদের দেশের প্রায় অনেক কম্পিউটার ব্যবহারকারীই উইন্ডোজ সেটআপ করার জন্য স্থানীয় কোনো কম্পিউটার মেকানিক বা আইটি দোকানে (IT shop) ছোটেন। সেখানে ১৫০ থেকে ৩০০ টাকার বিনিময়ে Windows 10 reinstall করে দেওয়া হয়। সমস্যা হলো, এই দোকানের লোকেরা বেশিরভাগ সময় মডিফাইড (Modified) বা পুরনো এবং পাইরেটেড উইন্ডোজের ভার্সন দিয়ে দেয়, যাতে অনেক সময় বিল্ট-ইন ভাইরাস বা স্পাইওয়্যার থাকে। যার কারণে পিসি ১৫ দিন পরই আবার স্লো হতে শুরু করে। অথচ একটু চেষ্টা করলে Windows installation guide বা একটি ভালো ইউটিউব ভিডিও দেখে আপনি নিজেই আপনার পেনড্রাইভে একদম আসল (Genuine) উইন্ডোজের ISO ডাউনলোড করে, কোনো ভাইরাসের ঝুঁকি ছাড়াই বাসায় বসে সেটআপ করে নিতে পারেন।

আরো জানুনঃ ল্যাপটপ স্লো হয়ে গেলে কী করবেন? ফাস্ট করার সেরা উপায়

সাধারণ ভুলসমূহ (Common Mistakes)

Windows reinstall data loss এড়ানোর পাশাপাশি, এই ৩টি ভুল অনেকেই করেন:

  • ল্যাপটপ চার্জে না রাখা: কিভাবে উইন্ডোজ 11 ইনস্টল করবেন? বা যেটাই করুন না কেন, ল্যাপটপ চার্জে বা 'Plug in' অবস্থায় রেখে সেটআপ না দিলে হঠাৎ ল্যাপটপ বন্ধ হয়ে মাদারবোর্ডে বিশাল ক্ষতি হতে পারে (Crash)।
  • পুরো হার্ডডিস্ক ফরম্যাট দেওয়া: উইন্ডোজের সময় 'Partition' অপশনে ভুল করে সি-ড্রাইভের বদলে ডি বা ই-ড্রাইভ (D/E drive) ফরম্যাট করে ফেলেন, যেখানে তার সব মূল্যবান ছবি এবং ফাইল থাকে।
  • ভুল বুটেবল পেনড্রাইভ বানানো: BIOS boot settings 'UEFI'-তে আছে, আর পেনড্রাইভ তৈরি হয়েছে পুরোনো 'Legacy/MBR'-এ, তখন "No bootable device found" এরর বা এরর দেখায় এবং উইন্ডোজ দেওয়া যায় না।

প্রো টিপস (Pro Tips)

  • উইন্ডোজ দেওয়ার পর ব্রাউজার (Browser) ইনস্টল করার একটি দুর্দান্ত এবং স্মার্ট টুল হলো 'Ninite' (ninite.com)। এর মাধ্যমে গুগল ক্রোম, ভিএলসি (VLC), স্কাইপ বা আপনার প্রয়োজনীয় সব সফটওয়্যারগুলোতে টিক দিলে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একসাথে ডাউনলোড ও ইনস্টল হয়ে যাবে। এটি সময় অনেক বাঁচায়!
  • উইন্ডোজ ইনস্টল শেষ হওয়া মাত্রই প্রথম যে কাজগুলো করা উচিত, তা হলো 'Windows Update' এ গিয়ে পেন্ডিং থাকা সকল লেটেস্ট আপডেটগুলো ডাউনলোড করা এবং কোনো ভালো Windows installation guide অনুসরণ করা।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. Windows Reinstall করার আগে কোন কোন ডেটা ব্যাকআপ নেওয়া উচিত?

উত্তর: আপনার সি-ড্রাইভে থাকা ফাইল- বিশেষ করে 'ডেস্কটপ' (Desktop), 'ডকুমেন্টস' (Documents) এবং 'ডাউনলোড' (Downloads) ফোল্ডারগুলোতে থাকা সব ডেটা, বুকমার্ক এবং ইম্পর্ট্যান্ট পাসওয়ার্ড ব্যাকআপ করে পেনড্রাইভে সরিয়ে রাখা উচিত।

২. Windows Reinstall করার আগে কী কী বিষয় অবশ্যই চেক করবেন?

উত্তর: উইন্ডোজ দেওয়ার আগে সি-ড্রাইভের নাম বদলে 'OS' রেখে দেওয়া, ল্যাপটপটি ফুল চার্জ এবং প্লাগ-ইন অবস্থায় রাখা এবং পেনড্রাইভটি বুটেবল (Bootable USB) আছে কিনা, তা চেক করতে হবে।

৩. Windows Reset এবং Windows Reinstall-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর: 'রিসেট' উইন্ডোজের সিস্টেম ফোল্ডারকে নতুনের মতো করলেও এটি পুরো ড্রাইভ মুছে ফেলে না, তাই এর কিছু গ্লিচ থেকে যেতে পারে। অন্যদিকে, 'ক্লিন রিইনস্টল' বলতে পেনড্রাইভের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ড্রাইভ মুছে (Format) একদম শূন্য থেকে নতুন উইন্ডোজ দেওয়াকে বোঝায়।

৪. Windows Reinstall করলে কি সব ফাইল মুছে যায়?

উত্তর: না, সব ড্রাইভের ফাইল মোছে না। শুধুমাত্র 'সি' (C Drive) বা যেই ড্রাইভে আপনি উইন্ডোজ ইনস্টল করবেন, সেখানের সব ফাইল চিরতরে মুছে যাবে। ডি (D) বা ই (E) ড্রাইভের ফাইল ১০০% সুরক্ষিত থাকবে।

৫. Windows Reinstall করার জন্য Bootable USB কীভাবে তৈরি করবেন?

উত্তর: 'Media Creation Tool' অথবা 'Rufus' (রুফাস) সফটওয়্যারের সাহায্যে উইন্ডোজের 'ISO' ফাইলটিকে ৮ জিবির একটি খালি পেনড্রাইভে লোড করেই 'Bootable USB' তৈরি করতে হয়।

৬. Windows Reinstall করার আগে ড্রাইভার ব্যাকআপ নেওয়া কি জরুরি?

উত্তর: হ্যাঁ, অন্তত নেটওয়ার্ক ড্রাইভার (ওয়াই-ফাই বা ল্যান কার্ড) আগে থেকেই অন্য পেনড্রাইভে ডাউনলোড করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। নাহলে, উইন্ডোজ দেওয়ার পর যদি ওয়াইফাই কানেক্ট না হয়, তবে আপনি বাকি কোনো কিছু আপডেট বা ডাউনলোড করতে পারবেন না।

৭. Windows Product Key কোথায় পাবেন এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: সেটিংসের 'System/About' অপশনে এটি পাওয়া যেতে পারে, অথবা অনেক সময় পিসির গায়ে লেখা থাকে। 'অ্যাক্টিভেশন' (Activation) এর মাধ্যমে উইন্ডোজের সকল প্রো-ফিচার উপভোগ করার জন্য 'প্রোডাক্ট কী' গুরুত্বপূর্ণ।

৮. SSD-তে Windows Reinstall করার সময় কী কী বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?

উত্তর: বায়োসের (BIOS/UEFI) 'SATA mode' কে 'AHCI' মোডে পরিবর্তন করে রাখা উচিত এবং ডিস্কের পার্টিশন ধরন যেন MBR এর বদলে GPT (GUID Partition Table) থাকে তা খেয়াল রাখা উচিত।

৯. Windows Reinstall করার পর কোন সফটওয়্যারগুলো প্রথমে ইনস্টল করা উচিত?

উত্তর: উইন্ডোজের নিজস্ব সিকিউরিটি বা ফায়ারওয়াল আপডেট করার পাশাপাশি একটি ভালো ওয়েব ব্রাউজার (Chrome/Firefox), ডিকম্প্রেশন টুল (যেমন- WinRAR), এবং ম্যালওয়্যারবাইট (Malwarebytes) জাতীয় সাধারণ সিকিউরিটি ইনস্টল করা উচিত।

১০. Windows Reinstall করার পর কম্পিউটারকে দ্রুত ও নিরাপদ রাখার উপায় কী?

উত্তর: তৃতীয় পক্ষের কোনো আনভেরিফাইড (Unverified) অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার না করে উইন্ডোজ ডিফেন্ডার (Windows Defender) অন রাখা, কোনো থার্ড-পার্টি টুল ব্যবহার না করা এবং রেগুলার 'Windows Update' গ্রহণ করাই মূল কাজ।

১১. উইন্ডোজ 10 ইনস্টল করার আগে কি কি নিশ্চিত করা উচিত?

উত্তর: হার্ডডিস্কে স্পেস খালি আছে কি না (ন্যূনতম ২০ জিবি), সিপিউ প্রসেসর ও র‍্যাম এর সাপোর্ট আছে কি না (ন্যূনতম ২ জিবি), তা নিশ্চিত করা উচিত।

১২. কিভাবে উইন্ডোজ 11 ইনস্টল করবেন?

উত্তর: উইন্ডোজ ১১ ইনস্টলের নিয়ম ১০ এর মতোই, শুধু আপনাকে প্রথমে 'PC Health Check app' দিয়ে দেখে নিতে হবে যে, আপনার পিসিতে 'TPM 2.0' (সিকিউরিটি চিপ) এবং সাপোর্টেড প্রসেসর আছে কিনা।

১৩. Windows কিভাবে দিতে হয়? (উইন্ডোজ সেটআপ)

উত্তর: একটি বুটেবল পেনড্রাইভ পিসিতে প্লাগ করে রিস্টার্ট দেওয়ার পর 'F12/F2/Esc' বাটন (বুট মেন্যু কী) প্রেস করে পিসিটিকে পেনড্রাইভ দিয়ে বুট করালেই স্ক্রিনে উইন্ডোজ সেটআপ করার পপআপ অপশন চলে আসে।

১৪. কম্পিউটারে উইন্ডোজ ইনস্টলেশন কি?

উত্তর: কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের (পার্টসগুলোর) সাথে ব্যবহারকারী বা আপনার একটি যোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণ মাধ্যম তৈরি করার জন্য যেই মূল অপারেটিং সিস্টেম (OS) সেটআপ বা স্থাপন করা হয়, তাই হলো উইন্ডোজ ইনস্টলেশন।

১৫. উইন্ডোজ ১০ কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম?

উত্তর: এটি একটি জিইউআই (GUI - Graphical User Interface) এবং 'সিঙ্গেল ইউজার মাল্টি-টাস্কিং' (Single-user Multi-tasking) অপারেটিং সিস্টেম, যা মাইক্রোসফট তৈরি করেছে।

আর্টিকেলের শেষ কথা

ল্যাপটপের গতি ধীর হয়ে গেলে কিংবা ম্যালওয়্যারে জর্জরিত হয়ে উঠলে, একটি নতুন ও পরিচ্ছন্ন উইন্ডোজের মতো সমাধান আর কিছুই হতে পারে না। Windows Reinstall করার আগে কী করবেন? আশা করি, আমাদের আজকের এই Windows reinstall guide এবং Windows reinstall checklist অনুসরণ করলে ল্যাপটপ ফরম্যাট করার আগে কী করবেন, এ নিয়ে আপনাকে আর কনফিউশনে থাকতে হবে না। উইন্ডোজ সেটআপ করার আগে করণীয় এই সহজ কিছু সতর্কতাই পারে আপনাকে অপ্রত্যাশিত ডাটা হারানোর মতো বিশাল ক্ষতি (Windows reinstall data loss) থেকে বাঁচাতে।

lifestylequery.com-এর পক্ষ থেকে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের এই উইন্ডোজ ইন্সটল করার নিয়ম এবং উইন্ডোজ ইনস্টল করার প্রস্তুতি নিয়ে তৈরি করা আর্টিকেলটি কি আপনার কিছুটা হলেও প্রযুক্তিগত ভীতি দূর করেছে? Windows 10 reinstall করার অভিজ্ঞতা যদি আপনার থেকে থাকে, তবে সেটি কেমন ছিল তা কমেন্ট করে আমাদের জানান! আর হ্যাঁ, পিসি স্লো হয়ে থাকা বিরক্ত বন্ধুটিকে সাহায্য করতে আমাদের এই গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলটি শেয়ার করতে ভুলবেন না! চলুন, নিজের টেক জ্ঞান বাড়িয়ে নিজে নিজে সমস্যার সমাধান করতে শিখি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

লাইফস্টাইল কোয়েরির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url